Online Birth Certificate Apply: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এবার থেকে বার্থ সার্টিফিকেট পেতে আর দপ্তরের চৌকাঠ ঘোরা লাগবে না। মাত্র পাঁচ মিনিটেই ঘরে বসে অনলাইনে আবেদন করে তৈরি করা যাবে এই নথি। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ডিজিটাল পরিষেবা চালুর ফলে সাধারণ মানুষ যেমন সময় বাঁচাতে পারবেন, তেমনি পাবেন ঝামেলামুক্ত পরিষেবা। শিশুর জন্মের তথ্য সংরক্ষণ, স্কুলে ভর্তি কিংবা সরকারি নানা সুযোগসুবিধার জন্য অপরিহার্য এই সার্টিফিকেট এখন সহজেই হাতের নাগালে।

ডিজিটাল পরিষেবার নতুন ধাপ
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাগরিক পরিষেবা সহজতর করার লক্ষ্যে অনলাইনে বার্থ সার্টিফিকেট আবেদনের সুবিধা চালু করা হয়েছে। এর ফলে অভিভাবকদের আর পৌরসভা বা স্বাস্থ্য দপ্তরে ঘুরে সময় নষ্ট করতে হবে না।
আবেদনের ধাপসমূহ
অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক এবং ব্যবহারবান্ধব।
নির্দিষ্ট পোর্টালে প্রবেশ করে “Apply for Birth Certificate” অপশনে ক্লিক করতে হবে।
আবেদন ফর্মে শিশুর নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান এবং পিতামাতার তথ্য পূরণ করতে হবে।
তথ্য যাচাইয়ের পর সনদ তৈরি হবে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা যাবে।
কেন জরুরি এই নথি
অধিকাংশ সরকারি কাজে বার্থ সার্টিফিকেট আবশ্যিক নথি হিসেবে গণ্য হয়। এটি ছাড়া স্কুল ভর্তি, পাসপোর্ট তৈরি, ভোটার বা আধার কার্ড সংগ্রহ, সরকারি ভাতা বা স্বাস্থ্যসেবার মতো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। ফলে প্রতিটি নাগরিকের জন্য এই নথির গুরুত্ব অপরিসীম।
সুবিধা ও সময় সাশ্রয়
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই নতুন উদ্যোগে আবেদনকারীদের ভ্রমণ, অতিরিক্ত খরচ এবং দীর্ঘ অপেক্ষার মতো সমস্যাগুলি থেকে মুক্তি মিলবে। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন হওয়ায় এটি নাগরিকদের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে আসবে।
ডিজিটাল সহায়তা কেন্দ্র
যারা ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যায় পড়তে পারেন, তাঁদের জন্যও বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাঁরা নিকটস্থ কমন সার্ভিস সেন্টার বা ই-সেবা কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে পারবেন।
সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জানা গেছে, অনেকেই ইতিমধ্যেই অনলাইনে বার্থ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেছেন এবং তাঁরা এই পরিষেবায় সন্তুষ্ট। তাঁদের মতে, ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর ফলে সময় ও শ্রম বাঁচছে, পাশাপাশি প্রশাসনিক কাজেও স্বচ্ছতা বাড়ছে।
সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, ডিজিটাল পরিষেবার আওতায় আরও একাধিক নাগরিক সেবা অনলাইনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। আপাতত বার্থ সার্টিফিকেট অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে, যা রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে এক বড় স্বস্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে।